পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তাওবার গুরুত্ব (২য় পর্ব)

  তাওবার গুরুত্ব ১."আনাস রা: বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা:কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, হে আদম সন্তান! যাবৎ তুমি আমাকে ডাকবে এবং ক্ষমার আশা রাখবে, তাবৎ আমি তোমাকে ক্ষমা করব। তোমার অবস্থা যাই হোক না কেন, আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে থাকে অতঃপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হও এবং আমার সাথে কাউকে শরিক না করে থাক, তাহলে আমি পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার নিকট উপস্থিত হব।’’ [তিরমিযি ৩৫৪০] الَلَّهُ أشَدُّ فَرَحًا بتَوْبَةِ أحَدِكُمْ، مِن أحَدِكُمْ بضالَّتِهِ، إذا وجَدَها- ২.“তোমাদের কেউ হারানো বস্তু পেয়ে যেমন খুশি হয়, আল্লাহ তোমাদের তাওবায় তার চেয়েও বেশি খুশি হোন ।” [মুসলিমঃ ২৬৭৫] ৩."হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা: হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট তাওবা করতে থাক। কেননা আমি নিজে দৈনিক ১০০ বার তাওবা করি। হজরত আবু আইউব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাই...

তাওবার গুরুত্ব

 তাওবার গুরুত্ব মুফতি মুহাম্মদ আল-আমিন হানাফি পর্ব-১ তাওবা অর্থ ফিরে আসা। ইসলামি শরিয়তে এর অর্থ অতীতের পাপ কাজের জন্য লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আল্লাহর সন্তুষ্টির মধ্যে ফিরে আসা এবং ভবিষ্যতে তা না করার দৃঢ়সংকল্প করা। প্রকৃত তাৎপর্য হলো আন্তরিক অনুশোচনা।  কোরআনের একটি পূর্ণাঙ্গ সুরার নামকরণ করা হয়েছে সুরা তওবা। এ ছাড়া সুরা নুর, সুরা তাহরিম, সুরা বাকারা, সুরা ফুরকানসহ কোরআনের আরও অনেক স্থানে তওবা এবং এর গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। ★তওবার প্রকারঃ ১. ওয়াজিব তাওবাঃ হারাম ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে ফিরে এসে তাওবা করা, আল্লাহর আদেশকৃত বিষয় ছেড়ে দেওয়ার অপরাধে তাওবা করা এবং প্রতিটি কবিরা-সগিরা, জানা-অজানা ও ইচ্ছা-অনিচ্ছায় করা অপরাধের জন্য তাওবা করা৷ সমস্ত মুমিন-মুসলমানের উপর তাৎক্ষণিকভাবে এসব তাওবা করা আবশ্যক। এই ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য কায়েম হয়েছে। ইমাম কুরতুবি (রঃ) তাফসিরে কুরতুবিতে এ নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেছেন। ২. মুস্তাহাব তাওবাঃ  মুসতাহাব  কাজ ছেড়ে দিলে এবং মাকরুহ কাজে লিপ্ত হলে এই তাওবা করতে হয়।   ইস্তিগফার অর্থ হলো ক্ষমা প্রার্থনা করা। সব...

সাদকার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

  ইসলামের দৃষ্টিতে সাদকা মুফতি মুহাম্মদ আল-আমিন হানাফি সাধারণ অর্থে দান করাকেই সাদকা বলে। পরিভাষায় সাদকা বলা হয়, একমাত্র আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করার লক্ষ্যে স্বীয় সম্পদ ব্যয় করা। সাদকা প্রধানত দুই প্রকার। (ক) সাধারণ সাদকা (খ) সাদকায়ে জারিয়া। যথা- মসজিদ, মাদরাসা, রাস্তা, পুল, পানির কূপ ও নেক সন্তান,ইত্যাদি জন কল্যাণমূলক কাজ করা। (ক)সাধারণ সাদকা আবার চার প্রকার। যথা-(১) ফরজ সাদকা। যথা- যাকাত। (২) ওয়াজিব সাদকা। যথা- সাদকাতুল ফিতর, কুরবানী, মান্নতের বস্তুু। (৩)সুন্নাত সাদকা। যথা- আকিকা করা, ৭/১৪ পর নবজাতকের মাথার চুল ও নখ কেঁ টে এর সমপরিমান স্বর্ণ রৌপ্য সদকা করা, অতিথিকে খাওয়ানো। (৪) নফল সাদকা। যথা-সেচ্ছায় কোন কিছু দান করা। এ সাদকা যে কোন সময় দেয়া যায়। সাদকার আদব হচ্ছে- ১. আল্লাহর জন্য ইখলাস ঐকান্তিকতা। ২. সদকাগ্রহীতাকে খোঁটা ও কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকা। ৩. যে সকল আত্মীয়-স্বজন অভাবী, তাদেরকে সাদকা দেয়া। ৪.সম্পদের হালাল ও ভালো অংশ এবং ব্যক্তির কাছে যা প্রিয় তা বেঁছে নেয়া। ৫. সংগোপনে সাদকা প্রদান করা। ৬. সামর্থ্যানুযায়ী সাদকা করা, হোক তা সামান্য। সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে সাদ...