তাওবার গুরুত্ব (২য় পর্ব)
তাওবার গুরুত্ব ১."আনাস রা: বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা:কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, হে আদম সন্তান! যাবৎ তুমি আমাকে ডাকবে এবং ক্ষমার আশা রাখবে, তাবৎ আমি তোমাকে ক্ষমা করব। তোমার অবস্থা যাই হোক না কেন, আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে থাকে অতঃপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হও এবং আমার সাথে কাউকে শরিক না করে থাক, তাহলে আমি পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার নিকট উপস্থিত হব।’’ [তিরমিযি ৩৫৪০] الَلَّهُ أشَدُّ فَرَحًا بتَوْبَةِ أحَدِكُمْ، مِن أحَدِكُمْ بضالَّتِهِ، إذا وجَدَها- ২.“তোমাদের কেউ হারানো বস্তু পেয়ে যেমন খুশি হয়, আল্লাহ তোমাদের তাওবায় তার চেয়েও বেশি খুশি হোন ।” [মুসলিমঃ ২৬৭৫] ৩."হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা: হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট তাওবা করতে থাক। কেননা আমি নিজে দৈনিক ১০০ বার তাওবা করি। হজরত আবু আইউব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাই...